মনিয়ন্দ চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক বংশতালিকা ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ সাল
সজীব চৌধুরী (Social Media Alias Name:  আরিফ চৌধুরী)

আধুনিক বংশতালিকা ডাউনলোডের জন্য লিংক(2020 rev): 

JPEG version:

https://drive.google.com/file/d/1_GgeFvsWIBVfYB9tmqgu0WaCilRp3dvD/view?usp=sharing

PDF version:

https://drive.google.com/file/d/1uNxvX6gcvkQlVTXO37Bq_nK_RI0fgq1q/view?usp=sharing

 

কৃতগ্গতা স্বীকার (Work in progress)


 প্রয়াত মমিনুল হক চৌধুরীর করা প্রিন্টেড বংশতালিকার বই থেকে  আমি বাড়ির পুরানো বংশতালিকা নতুন করে তৈরী করার এবং এবং চৌধুরী বাড়ির মুক্তিযোদ্বাদের তালিকা ডিজিটাইজড  করার প্রয়াস নেই।  

আমি কাজটি শুরু করি ২০১৮ সালে এবং বেশ সময় এবং মেধা ব্যবহার করে ভবিষ্যৎ এর জন্য তালিকাটি তৈরির পরিকল্পনা করি..
আমার করা ফরমেট সবচাইতে আধুনিক এবং খুব সম্ভবত বাংলাদেশেই প্রথম এই ভাবে তালিকা করা হয়েছে।. গতানুগতিক বৃক্ষ ধরণের তালিকা না করে আমি সার্কল  বা বৃত্তের মতো করে তালিকাটি করেছি।. বংশতালিকাটি  ইন্টারন্যাশনাল gedcom  ফরমেট এ করা হয়েছে, যার ফলে ভবিষ্যতে যে কোনো বংশতালিকার সফটওয়্যার প্লাটফর্ম এ  নেয়া যাবে।. 

তালিকা তে নতুন ইনফরমেশন বা নতুন আপডেট এর জন্য আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে "মনিয়ন্দ চৌধুরী বাড়ি" ফেইসবুক গ্রুপ টি ব্যবহার করেছি।. ওখানে আমাদের বাড়ির প্রায় ১০০ জন এর উপর সদস্য আছে যারা সবাই নিজের নিজের বংশতালিকার নামগুলি আপডেট করার সুজুগ পেয়েছে।.

 

তবে কিছু কিছু মানুষ ইচ্ছা করে তথ্য  দেন নি., আমার বার বার অনুরুধ সত্ত্বেও দেখেও না দেখার ভাণ করেছেন , তারা হয়তো আমার ফোন কল এর অপেক্ষায় ছিলেন. I am too busy to talk to people who are not worth my time... আর গ্রাম এ যাদের ইন্টারনেট সংযোগ নেই , তাদের আপডেটেড নামগুলি আমি ব্যক্তিগত ভাবে বাড়ির তরুণদের মাদ্ধমে জোগাড় করে আপডেট করার চেষ্টা করেছি।. 

২০১৮, ২০১৯, ২০২০ সালে অন্তত ১০ বার ফেইসবুক গ্রুপ এ বাড়ির সদস্যদের তালিকাগুলি দেখানো হয়েছে।. এবং সবাইকে তথ্য  দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।..  ভবিষ্যতে আমি অনলাইন এবং digitized  ভার্সন টি বাড়ির কোনো একজন তরুণ কে কিছুটা প্রশিক্ষণ দিয়ে হ্যান্ড ওভার করার আশা রাখি।. এছাড়া ফেইসবুক গ্রুপ, গুগল ড্রাইভ এ সফটকপি গুলি দিয়ে দেয়া হবে.. বাড়িতে কিছু পোস্টার প্রিন্ট করে দিয়ে দেয়া হবে যেন ভবিষ্যতে অন্য কেউ এটিকে আপডেট করতে পারে।.

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে আমাদের পূর্বপুরুষ এর কাজগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়, সামর্থ এবং intelligence  দেয়ার  জন্য।. আমি আল্লাহের শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।. - সজীব চৌধুরী , নর্থ আমেরিকা, ২০২০

২০১৯ সালে সোহাগ চৌধুরী হতে প্রাপ্ত প্রয়াত জসিম চৌধুরীর করা একটি কম্পিউটার কম্পোজ  করা আংশিক  তালিকা আমার হাতে আসে, সেটিতে বাচ্চু মিয়া চৌধুরী ও জিতু চৌধুরীর দেয়া তথ্যে জসিম চৌধুরী তালিকাটি তৈরী করেন।. উক্ত তালিকায় আরো কিছু নতুন তথ্য পাওয়া যায়, যেমন বকর খান চৌধুরীর আগের দুইটি জেনারেশনের নাম , এবং পরবর্তী বংশধরদের আরো কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়.. আমি সেই তথ্যগুলিও নতুন তালিকাতে সন্নিবেশিত করছি।.  

আমি ডিজিটাল তালিকা তৈরী করার সময় খোঁজ নিতে গিয়ে জিতু চৌধুরীর  নাম বার বার এসেছে।  আজাদ চৌধুরীর  নাম এসেছে।. মিলন চৌধুরীর  নাম এসেছে।. বাড়ির মুরুব্বিদের সবার মতামতের ভিত্তিতে করা একটি তালিকা আমাদের বাড়ির এক সময়ের কর্মকান্ডের অন্যতম কেন্দ্রস্থল সাইদুর রহমান চৌধুরীদের বাড়িতে রাখা হয়েছে সবার দেখার সুবিধার্থে।. জিতু দাদা, আজাদ কাকা, মিন্টু কাকারা এটি তৈরিতে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিলেন।. সুলতান চৌধুরীর , বাচ্চু চৌধুরীর নাম ও এসেছে।. আমি তালিকা তৈরির ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে আজাদ কাকা র সাথে ইন্টারভিউ নেয়ার পর আরো তালিকা তৈরির আরো ইনফরমেশন যোগ করার আশা রাখি।..এই ব্যাপার এ আরো কিছু গবেষণা প্রয়োজন আছে.. আমি নতুন ইনফরমেশন পেলে এই বর্ণনাগুলি আপডেট করবো ইনশাল্লাহ।.

* ইনারা সবাই আমার মুরব্বি এবং আত্মীয় , বর্ণনা লেখার সুবিধার্থে সবাইকে আলাদা করে সম্পর্ক উচ্চারণ করে লেখছি না..

জিতু চৌধুরী, বাচ্চু চৌধুরী, সুলতান চৌধুরী ,  মিলন চৌধুরী, সাইদুর রহমান চৌধুরী: 
 সাইদুর রহমান চৌধুরীদের (প্রাক্তন চেয়ারম্যান বাড়ি )  বাড়ির বৈঠক খানায়  ৩০-৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রকাশ্যে ঝুলানো আছে.. উনার তালিকাটিকে আমরা আমাদের বাড়ির একটি একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে ধরতে পারি.

সাইদুর রহমান চৌধুরীরা, উক্ত চার্টে  বাড়ির মুক্তিযোদ্ধাদের নামগুলিও প্রকাশ করে যান. উক্ত তালিকায় ৫ জন কে মনিয়ন্দ চৌধুরী বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয়.. এই চার্ট বাড়ির সকল মুক্তিযোদ্ধারা জীবিত থাকার সময় কালে এবং সকল মুরুব্বিদের জানামতে করা হয়েছিল।.  

তবে, বর্তমানে চার্টটি মরন দশায় আছে..  

মমিনুল হক চৌধুরী
বাড়ির ভবিস্যত নিয়ে আরেকজন ভাবতেন, সেটা হচ্ছেন আমার বাবা মমিনুল হক চৌধুরী,  তিনি বংশতালিকার একটি বই  তৈরী করে দিয়ে যান, যেটি কে আমি ২০১৮ সালে ডিজিটাইজড(Digitized) করি. আমার কাজের জন্য আমি উনার কাছে সরাসরি কৃতগ্গ, মমিনুল হক চৌধুরী হতে প্রাপ্ত টাইপ করা বংশতালিকার বইটি আমার হাতে না আসলে আমি হয়তো কাজটি নতুন করে ধরার সাহস পেতাম না..উনার বংশতালিকার বইটি ছাড়া, বাড়ির বংশতালিকা নতুন করে ডিজিটাইজড করা সম্ভব হত না, আমাদের বাড়ির বংশতালিকার ইতিহাস হয়ত চিরকালের মতহারিয়ে যেত.

মমিনুল হক চৌধুরীর তৈরী করা বংশ তালিকার চার্ট নিচের লিন্কে পাবেন

https://drive.google.com/open?id=1isS6xw0yZRgcsrhPPg32QtGdF6fSvsLF

সাইদুর রহমান চৌধুরীদের বাড়িতে থাকা  করা বংশতালিকার চার্ট এবং মমিনুল হক চৌধুরীর করা বংশতালিকার বইটি র মধ্যে তথ্যের কোন অমিল নেই.. একই নামগুলি বংশাক্রমিক ভাবে দেয়া আছে। দুইটি তালিকাতেই একই তথ্য দেয়া আছে, কোন অমিল নেই।মুক্তিযোদ্বাদের নামেও কোন অমিল নেই।

আজাদ চৌধুরী(মামুনুর রশিদ চৌধুরীর) তৈরিকৃত এক্সেল বংশতালিকা :
এটি ই প্রথম কম্পিউটার digitized ভার্সন, যেটি আজাদ কাকা  মাইক্রোসফট এক্সেল এ করেছিলেন। বংশতালিকা টি আধুনিক ভাবে তৈরী করার ইচ্ছা এবং প্রয়াস এই তালিকাটি দেখলে স্পষ্ট বুঝা যায়.. এটিও বুঝা যায় যে এর পেছনে উনি বেশ সময় ব্যয় করেছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ এই তালিকাটি আমি আমার কাজ এর শেষ পর্যায়ে হাতে পেয়েছি এবং এটিকেও আরেকটি রেফারেন্স হিসাবে আমরা ধরতে পারি।.এই তালিকাতে কিছু ডাকনাম যোগ করা হয়েছে এবং কিছু কিছু নাম এর প্রফেশন বা কি করতেন সেটি যোগ করা হয়েছে।. 

 

আজাদ চৌধুরীর তালিকাটি নিচের লিংক থেকে পাওয়া যাবে:

https://drive.google.com/open?id=1-hgRxwec-AXuWPcwDNnxLNMRPW8djm1O

জসিম চৌধুরী:

২০১৯ সালে সোহাগ চৌধুরী হতে প্রাপ্ত জসিম চৌধুরীর করা একটি কম্পিউটার কম্পোজ  করা আংশিক  তালিকা আমার হাতে আসে, সেটিতে বাচ্চু মিয়া চৌধুরী ও জিতু চৌধুরীর তথ্যে জসিম চৌধুরী তালিকাটি তৈরী করেন।. উক্ত তালিকায় আরো কিছু নতুন তথ্য পাওয়া যায়, যেমন বকর খান চৌধুরীর আগের দুইটি জেনারেশনের নাম , এবং পরবর্তী বংশধরদের আরো কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়.. আমি সেই তথ্যগুলিও নতুন তালিকাতে সন্নিবেশিত করছি।.  

জসিম চৌধুরীর করা বংশতালিকার চার্ট নিচের লিংক এ পাবেন 

https://drive.google.com/open?id=12RoEecbP9Dm3z38BLQE6dsBsZ6kQf315

https://drive.google.com/open?id=1SvoyeHm6YQa9ZyqmQm5eif8crv3QvytI

আমি আমাদের পুর্ব পুরুষ সুলতান চৌধুরী, সাইদুর রহমান চৌধুরী, মমিনুল হক চৌধুরী, জসিম চৌধুরীর  কাজগুলির গুরুত্ব উনাদের মত করেই অনুধাবন করি,.. উনারা , নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি  দেয়ালে না টান্গিয়ে, বংশতালিকা দেয়ালে টান্গিয়ে গিয়েছেন, বা  বংশতালিকার বই তৈরী করেদিয়ে গিয়েছেন.  

 

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে সৌভাগ্য দিয়েছেন কাজগুলিকে হারিয়ে না যেতে দেয়া, মনিয়ন্দ চৌধুরী বাড়ির বংশ তালিকার সর্বাধুনিক ডিজিটাইজড ভার্সন তৈরি করার জন্য ঘন্টা পর ঘন্টা সময় দিয়েছি। আশা করি, এবার আমাদের পুর্বপুরুষ দের লিগেসি হারাবে না.. অনলাইনে ডিজিটাইজড হওয়ার কারনে, বর্তমান প্রজন্ম তাদের  খুজে পাবে অতি সহজেই।  নতুন করে গোলাকার ভাবে তৈরী করার কারণে, বংশতালিকায় যে কেউ নিজের অবস্থান সহজেই খুঁজে পাবে।. এছাড়া গোলাকার চার্ট বাড়িতে প্রদর্শন করার সহজ হবে..

আল্লাহের কাছে হাজার শুকরিয়া, আমার জন্য এত বড় কাজ রাখার জন্য। আশা করি ভবিস্যতে বাড়ির তরুনেরা চার্ট টি আপডেট করতে থাকবে। ডিজিটাইজড হওয়ার কারনে আমাদের পরিচয়, বংশতালিকা টি হারিয়ে যাওয়ার ভয় নেই আর, আলহামদুলিল্লাহ.।

কোথাও ভুল থাকলে, দয়া করে দেখিয়ে দিলে আমরা ভুলগুলি সংশোধন করব, কিন্তু অবশ্যই যথাযথ সূত্রসহ যোগাযোগ করবেন .. 

সবশেষে, যারা এর মধ্যে খুত খোজার বা উদ্দেশ্য খোজার চেস্টা করবেন, তাদের উদ্দেশ্যে:  আমাদের সবার সময় কিন্তু সীমিত, মমিনুল হক চৌধুরী বেচে নাই, সাইদুর রহমান চৌধুরী বেচে নাই.. আমরাও থাকবো না.. সময়ের ব্যপার মাত্র.। 

-সজিব চৌধুরী
জুন, ২০১৯, নর্থ আমেরিকা

সাইদুর রহমান চৌধুরীদের  তৈরী করা  বংশতালিকা এবং বাড়ির মুক্তিযোদ্বাদের তালিকা (১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে তৈরী করা )

সাইদুর রহমান চৌধুরীদের  তৈরী করা বংশতালিকায় বাড়ির মুক্তিযোদ্বাদের নাম উল্লেখ করা (১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে তৈরী করা )

মমিনুল হক চৌধুরীর ১৯৯৫ সালের দিকে তৈরী করা বংশতালিকার বই

মমিনুল হক চৌধুরীর ১৯৯৫ সালের দিকে তৈরী করা বংশতালিকার  বই এর প্রথম পৃস্ঠা

জসিম চৌধুরীর  ১৯৯৫ সালের দিকে তৈরী করা বংশতালিকার  বই এর প্রথম পৃস্ঠা

মনিয়ন্দ চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক বংশতালিকার নতুন সর্বাধুনিক ডিজাইনের খসড়া, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ সাল
সজীব চৌধুরী (Social Media Alias Name:  আরিফ চৌধুরী)
grampswrev12.jpg

©2018 by MHCF. Proudly created with Wix.com